হতাশ হয়ে কোনো কিছু ছেড়ে দেয়ার পূর্বে আমরা কি যথেষ্ট পরিমাণ চেষ্টা করেছি?

আচ্ছা হতাশ হয়ে কোনো কিছু ছেড়ে দেয়ার পূর্বে আমরা কি যথেষ্ট পরিমাণ চেষ্টা করেছি?
তেমনি ফ্রিল্যান্সিংয়ের অনেকে একটি ক্যাটাগরিতে কাজ শুরু করার পর কিছুদিন চালিয়ে যায় তারপর আবার ভাবে এখানে হয়তো আমাকে দিয়ে হবে না। অনেকে অমুক ক্যাটাগরিতে অনেক ভালো করছে আমিও সেখানে গেলে হয়তো ভালো করতে পারব তাই চেষ্টা করে দেখি! একবার ভেবে দেখুন কেন এমনটা হচ্ছে, আপনি কি নিজের ভুলগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন কখনো? কেন আপনি আপনার পূর্বের ক্যাটাগরিতে ভালো করতে পারছেন না? হয়ত আপনার কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা আপনি ইচ্ছা করলেই আপনার এই সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করতে পারতেন। কিন্তু তা না করে আপনি ভাবলেন যে এখানে আপনাকে দিয়ে কিছু হবে না, আমাকে অন্য অন্য ক্যাটাগরিতে চেষ্টা করতে হবে।
 
উদাহরণস্বরূপ: আসলে এখানে আমাদের কোনো ভুল নেই, ভুলটা হলো আমাদের সিস্টেমে। আমরা ছোটবেলা থেকেই এভাবে বেড়ে উঠছি, লেখাপড়ায় কেউ যদি কিছু একটা বিষয় না বুঝে বা আটকে যায়, খুব সহজেই স্যারের, অভিভাবক বা বড় ভাইদের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। নিজে নিজে চেষ্টা করে সমস্যার সমাধান বের করা খুব জরুরি এতে আপনারা মেধা ও স্মৃতিশক্তি দুটোই বৃদ্ধি পায়।
 
এবার আসি আসল কথায় যদি আপনি উপরোক্ত এমনটা ভেবে থাকেন তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হতে পারবেন না। সফল হওয়ার জন্যে উদ্যোগ নিন, মনে জোর নিয়ে আসুন, সাহসভরে এগিয়ে যান। একটু একটু করে এগোন, সাহস বাড়াতে বাড়াতে এগিয়ে চলুন। কিছুদিন পর দেখবেন অনেক কিছু আপনি নির্ভয়ে করতে পারছেন। যেগুলো আপনি করতে পারবেন বলে কখনো ভাবেননি। কোন কিছুতে আটকে গেলে অন্যের শরণাপন্ন হওয়ার আগে নিজেই যথেষ্ট পরিমাণ চেষ্টা করুন, এতে যদি আপনি নিজে নিজেই সমস্যার সমাধান করতে পারেন তাহলে দেখবেন আপনার অগ্রগতি কতটা হয়েছে যা আসলেই অবিশ্বাস্য। অতএব নিজে নিজেই যথেষ্ট পরিমাণ চেষ্টা করুন বারবার চিন্তা করুন বারবার চেষ্টা করুন। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের অগ্রগতি একটানা হয় না, আবার দ্রুতও হয় না। আর বর্তমানের ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সফল হতে হলে আপনাকে একাগ্রচিত্তে লেগে থাকতে হবে।

জীবনে নিয়মানুবর্তিতা খুব বড় জিনিস। নিয়মানুবর্তিতার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, সময়ের অপচয় রোধ করা যায়। ফলে অনেক বেশি কাজ করা যায়, কাজ অনেক সুষ্ঠভাবে করা যায়, কাজে টেনশন কমে যায় অনেকাংশে এবং পেশাগত কাজ শেষ করার পরও নিজের ব্যক্তিগত সময়টুকু বের করে নেয়া যায়। আপনি যদি ডিসিপ্লিনড না হন তাহলে দিনরাত কাজ করার পরও মনে হবে যেখানকার কাজ সেখানেই রয়ে গেছেন।

পরিশেষে, যদি লেখাটি আপনার কোনো প্রকার উপকারে আসে তাহলে দয়াকরে সকল ফ্রীলান্সার ভাইদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না। দেশের জন্য এবং দেশকে ভালোবেসে কাজ করুন। মার্কেটপ্লেসে আমাদের কাজের গুণমান ঠিক রাখতে সহযোগিতা করুন। কোনো প্রকার প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন, আমি যথাসাথ্য চেষ্টা করবো আপনার প্রশ্নের উত্তর বা আপনাকে সহযোগিতা করার জন্য।
হতাশ হয়ে কোনো কিছু ছেড়ে দেয়ার পূর্বে আমরা কি যথেষ্ট পরিমাণ চেষ্টা করেছি?

Write a comment....

Scroll to top
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: